বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে আওয়ামী লীগের দুই নেতাকর্মী গ্রেপ্তার কেরানীগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে তিনজনের কারাদণ্ড সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ দুধে ভেজাল নয়, চাই নিরাপদ খাদ্য উল্লাপাড়ায় দুগ্ধ ব্যবসায়ীদের নিয়ে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা উল্লাপাড়ায় ভেজালবিরোধী অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা নান্দনিক পরিবেশে সাহিত্যচর্চা, এম এ তাহেরের বাড়িতে রূপগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের ৮১তম সভা উল্লাপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত কেরানীগঞ্জে সেলুনে ঢুকে ফরহাদকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা। বছিলায় বুড়িগঙ্গায় জমকালো নৌকাবাইচ, ঐতিহ্যের উৎসবে মেতেছে নদীর দুই পাড়। নিজের গতি নয়, অন্যের বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় হৃদয়ের মৃত্যু: পরিবার

দুর্নীতির দায়ে ওসি থেকে এসআই: মাসুদ রানার শাস্তিমূলক অবনতি

কালের বেলা ডেস্ক >> / ১৫৭৪ ভিউ:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

কালের বেলা ডেস্ক >>

ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানাকে পদাবনতি দিয়ে উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিসেবে পুনর্বহাল করা হয়েছে। বহুল আলোচিত একটি বিভাগীয় মামলায় শাস্তির অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জেলা পুলিশ বিভাগের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, বিভাগীয় তদন্তে গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে তাকে তিন বছরের জন্য এসআই পদে অবনমিত করা হয়েছে। বুধবার (২৫ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে রংপুরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) পরিদর্শক পদে দায়িত্ব পালনের সময় একটি হত্যা মামলার তদন্তে ঘুষ গ্রহণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে মাসুদ রানার বিরুদ্ধে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হলে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তাকে দায়ী করে প্রতিবেদন দেয় তদন্ত কমিটি।

তদন্ত শেষে পুলিশ সদর দপ্তরের অনুমোদনের পর মাসুদ রানার ওসি পদে থাকা বাতিল করে তাকে এসআই পদে নামিয়ে আনা হয়।

প্রসঙ্গত, মাসুদ রানা ২০২৩ সালের ২০ জুলাই আক্কেলপুর থানায় ওসি (তদন্ত) হিসেবে যোগদান করেন। পরে ২০২৫ সালের ৮ মার্চ তিনি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব নেন।

ঘটনার বিষয়ে জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মুহম্মদ আবদুল ওয়াহাব বলেন,
২০১৮ সালের রংপুরের একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ বিভাগের অভ্যন্তরে ফের একবার নৈতিকতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নটি সামনে চলে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের কঠোর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত শুদ্ধাচার রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর