বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
উল্লাপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত কেরানীগঞ্জে সেলুনে ঢুকে ফরহাদকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা। বছিলায় বুড়িগঙ্গায় জমকালো নৌকাবাইচ, ঐতিহ্যের উৎসবে মেতেছে নদীর দুই পাড়। নিজের গতি নয়, অন্যের বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় হৃদয়ের মৃত্যু: পরিবার কেরানীগঞ্জে ধর্ম অবমাননার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সমাবেশ কেরানীগঞ্জে ১১ বছরের শিশুর বিয়ে, বর-বাবা ও ঘটকের কারাদণ্ড বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া মহাসড়কে চলবে না স্লিপার বাস: হাইকোর্ট সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে জ্বালানিমন্ত্রীর বাসার গ্যাস রাইজারে আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কেরানীগঞ্জে অবৈধ সার কারখানায় মোবাইল কোর্ট, মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা

সলঙ্গায় টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক >> / ৪০৫ ভিউ:
আপডেট সময়: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক >>

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদে টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কার্ডপ্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যদিও সরকারিভাবে এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণের কথা, বাস্তবে তা হচ্ছে না বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

শনিবার (১৭ মে) দিনব্যাপী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল কাদের মিলনের অনুমতিক্রমে একটি কক্ষে কার্ড বিতরণের সময় এই টাকা আদায় করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, ইউপি সদস্য আনিছুর রহমান, ট্যাক্স আদায়কারী পাবেল এবং কর্মকর্তা মিলনের ব্যক্তিগত সহকারী সাকাওয়াত হোসেন কার্ডপ্রতি নগদ অর্থ নিচ্ছেন। টাকা না দিলে কার্ড দেওয়া হচ্ছে না এবং ভোক্তাদের নানা রকম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
জানা গেছে, ঘুড়কা ইউনিয়নের মোট ৬৩৪ জন কার্ডধারীর মধ্যে অনলাইনে কার্ড একটিভ করে তা বিতরণ করা হচ্ছে। সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে বেশ কয়েকজন ভোক্তা অভিযোগ করেন, প্রথমে অনলাইনে কার্ড চালু করার জন্য ১০০ টাকা নেওয়া হয়, পরে বাড়িতে গিয়ে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় করা হয় এবং এরপরও আবার কার্ড বিতরণের সময় অতিরিক্ত ১০০ থেকে ২০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে।

স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডপ্রাপ্ত ভোক্তা শাহ আলম ও নাসির উদ্দিন বলেন, “অফিসারের নির্দেশে টাকা ছাড়া কেউ কার্ড পাচ্ছে না।” সাকাওয়াত হোসেন সরাসরি বলেন, “টাকা না দিলে কার্ড অ্যাক্টিভ হবে না।
ঘুড়কা ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি এবং কার্ডধারী আবু সাঈদ শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রথমে অনলাইনের জন্য টাকা দিয়েছি, পরে ট্যাক্স, এখন আবার কার্ড নিতে টাকা লাগছে- এটা কেন।
এই বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আব্দুল কাদের মিলন টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, “আমরা স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টাকা নিচ্ছি না, এটা ট্যাক্সের টাকা।”
এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হুমায়ুন কবির বলেন, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অর্থ নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর