মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার আর দেশে ফিরতে পারবে না: আমান উল্লাহ আমান উল্লাপাড়ায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষের্্যালী ও আলোচনা সভা ভূমি দখলবাজদের রুখতে সমন্বিত পদক্ষেপের তাগিদ: গয়েশ্বরের ত্রয়োদশ সংসদে আরও ১০ স্থায়ী কমিটি গঠন, তথ্য ও সম্প্রচারে আমান-কৃষিতে গয়েশ্বর কেরানীগঞ্জে ৪৫৩ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বর্ণাঢ্য আয়োজনে সলঙ্গায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, এমপি ভিপি আয়নুল হককে সংবর্ধনা সিরাজগঞ্জ দায়রা জজ আদালতে এপিপি পদে নিয়োগ পেলেন এ্যাড. গোলাম হাফিজ কিরন সৌদি প্রবাসী অপহরণ: মুক্তিপণ দাবির পর সলঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে জীবিত উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তাল শরীফ সলঙ্গা: মানববন্ধনে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

ভাঙ্গুড়ায় যুবদল নেতার পিতাকে মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ

ক্রাইম রিপোর্টার পাবনা: / ৫৯৮ ভিউ:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন

পাবনার ভাঙ্গুড়ার খানমরিচ ইউনিয়ন যুবদলের সম্মানিত সদস্য মো: আল-মামুন হোসেনের পিতা সেকেন্দার আলী (৫৫) কে মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় খানমরিচ ইউনিয়নের কয়ড়া বাজারের সেকেন্দার আলীর ওষুধের দোকানে। এ ঘটনায় সেকেন্দার আলী ওইদিন রাতেই চারজনের নাম উল্লেখ করে ভাঙ্গুড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। সেকেন্দার আলী কয়ড়া গ্রামের ছাদেক সরকারের ছেলে ও ঔষধ ব্যবসায়ী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কয়ড়া ছাড়া নাসির আলিম মাদ্রাসা সভাপতি হাজী মোঃ আব্দুল হাই এবং দাতা সদস্য হাজী আবুল কাশেমের নামে সেকেন্দার পাবনা বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা করেন। মামলা দায়ের করার পর থেকে সভাপতি ও দাতা সদস্যের পক্ষ থেকে মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় হুমকি ধামকি ও চাপ প্রয়োগ করে আব্দুল হাই ও আবুল কাশেমের লোকজন। এতেও সেকেন্দার আলী মামলাটি না তুলে নিলে রবিবার সন্ধ্যায় কয়ড়া গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে মজনু আলী(৫০) ও আ: আজিজ(৪০), সবুল্লাহ প্রামানিকের ছেলে আবুল হোসেন(৭০) এবং আ: আজিজ এর ছেলে মুন হোসেন(২০) মাদ্রাসার সভাপতি ও দাতা সদস্যের পক্ষ হতে সেকেন্দারের দোকানে এসে মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করে। এতে সেকেন্দার আলী রাজি না হলে এর এক পর্যায়ে তারা চারজন মিলে সেকেন্দারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ কিল ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলাফুলা জখম করে। পরের স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

কয়ড়া ছাড়া নাসির আলিম মাদ্রাসা সভাপতি হাজী মো: আব্দুল হাই সরকার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সেকেন্দারকে মারপিট ও হুমকির বিষয়ে আমি কিছু জানি না। যারা হামলা করেছে তারা হয়তো আমাকে ফাঁসাতে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে আমার নাম ব্যবহার করেছে।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর