বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
উল্লাপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত কেরানীগঞ্জে সেলুনে ঢুকে ফরহাদকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা। বছিলায় বুড়িগঙ্গায় জমকালো নৌকাবাইচ, ঐতিহ্যের উৎসবে মেতেছে নদীর দুই পাড়। নিজের গতি নয়, অন্যের বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় হৃদয়ের মৃত্যু: পরিবার কেরানীগঞ্জে ধর্ম অবমাননার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সমাবেশ কেরানীগঞ্জে ১১ বছরের শিশুর বিয়ে, বর-বাবা ও ঘটকের কারাদণ্ড বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া মহাসড়কে চলবে না স্লিপার বাস: হাইকোর্ট সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে জ্বালানিমন্ত্রীর বাসার গ্যাস রাইজারে আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কেরানীগঞ্জে অবৈধ সার কারখানায় মোবাইল কোর্ট, মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা

চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার: তাড়াশে ঘাতকের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক >> / ৩৩০ ভিউ:
আপডেট সময়: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক >>

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় চাঞ্চল্যকর ত্রয়ী হত্যা মামলায় মামা, মামী ও মামাতো বোনকে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে রাজীব কুমার ভৌমিক (৩৬)-কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ৩টার দিকে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা ও জেলা জজ আদালত-৩ এর বিচারক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম দুলাল জানান, রাজীব ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের পর এই রায় কার্যকর করা হবে।

রাজীব কুমার ভৌমিক সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার তেলীপাড়া গ্রামের মৃত বিশ্বনাথ ভৌমিক ও প্রমিলা রানী ভৌমিকের ছেলে। তিনি নিহত বিকাশ সরকারের আপন ভাগনে।

মামলার নথি অনুযায়ী, পারিবারিক আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০২৪ সালের ২৭ জানুয়ারি রাতের কোনো এক সময় তাড়াশ পৌর এলাকার বারোয়ারি বটতলা মহল্লায় বিকাশ সরকার (৪৫), তার স্ত্রী স্বর্ণা রানী সরকার (৪০) এবং দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী কন্যা পারমিতা সরকার তুষি (১৫)-কে গলা কেটে হত্যা করেন রাজীব।

ঘটনার পরদিন নিহত স্বর্ণা রানী সরকারের ভাই সুকমল চন্দ্র সাহা বাদী হয়ে তাড়াশ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে রাজীবের সঙ্গে নিহত বিকাশ সরকারের কথোপকথনের সূত্র ধরে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে রাজীব হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ রাজীব কুমার ভৌমিককে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ও রায়ের খবর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর