মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
উল্লাপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত কেরানীগঞ্জে সেলুনে ঢুকে ফরহাদকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা। বছিলায় বুড়িগঙ্গায় জমকালো নৌকাবাইচ, ঐতিহ্যের উৎসবে মেতেছে নদীর দুই পাড়। নিজের গতি নয়, অন্যের বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় হৃদয়ের মৃত্যু: পরিবার কেরানীগঞ্জে ধর্ম অবমাননার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সমাবেশ কেরানীগঞ্জে ১১ বছরের শিশুর বিয়ে, বর-বাবা ও ঘটকের কারাদণ্ড বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া মহাসড়কে চলবে না স্লিপার বাস: হাইকোর্ট সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে জ্বালানিমন্ত্রীর বাসার গ্যাস রাইজারে আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কেরানীগঞ্জে অবৈধ সার কারখানায় মোবাইল কোর্ট, মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা

আয়নাঘরের গোপন অধ্যায় ফাঁস: বন্দিদশার ভয়াবহ বর্ণনায় নড়েচড়ে বসেছে রায়গঞ্জ

কালের বেলা ডেস্ক >> / ৪৩৮ ভিউ:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন

কালের বেলা ডেস্ক >>

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তিগত বাড়ির রহস্যজনক কাহিনি অবশেষে পর্দার আড়াল থেকে প্রকাশ্যে এল। দুইজন নারী ও পুরুষকে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি করে রাখার ঘটনায় আলোচিত বাড়ির মালিক সুমন সেখ আদালতে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৩ মে) বিকেলে সিরাজগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে সুমন জানান, পল্লী চিকিৎসক নাজমুল হোসেন আরাফাত ওই বাড়ির নিচতলায় দুটি কক্ষ তৈরি করে ভাড়া নেন এবং সেখানেই মানববন্ধি-বিচ্ছিন্ন জীবন কাটাতে বাধ্য হন শিল্পী বেগম (৪৮) ও আব্দুল জুব্বার (৭৫)।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক নাজমুল হক রতন জানান, সোমবার রাতে সদর উপজেলার বহুলী বাজার এলাকা থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে হাজির করার পর প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন বিচারক আলমগীর হোসেন। জবানবন্দি শেষে সন্ধ্যায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সুমন জানায়, আরাফাত নিয়মিত ওই আয়নাঘরে যাতায়াত করতেন এবং আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিও তাদের সহযোগী ছিল। সুমন নিজেই বন্দিদের খাবার সরবরাহ করতেন। বর্তমানে তিনি দুটি পৃথক অপহরণ মামলার আসামি।

উল্লেখ্য, ১ মে গভীর রাতে ভয়াবহ সাহসিকতায় বন্দিদশা থেকে পালিয়ে আসেন শিল্পী বেগম ও আব্দুল জুব্বার। নিজেদের তৈরি একটি সরু সুড়ঙ্গ পথ তাদের মুক্তির একমাত্র রাস্তা হয়ে ওঠে। পরদিন গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিযুক্তদের বাড়িতে বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শিল্পী বেগমকে ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর এবং আব্দুল জুব্বারকে ৮ নভেম্বর অপহরণ করা হয়েছিল। তাদের স্বজনরা—মনসুর আলী ও শফিকুল ইসলাম—আলাদাভাবে থানায় মামলা করেন।
বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর