সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
উল্লাপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত কেরানীগঞ্জে সেলুনে ঢুকে ফরহাদকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা। বছিলায় বুড়িগঙ্গায় জমকালো নৌকাবাইচ, ঐতিহ্যের উৎসবে মেতেছে নদীর দুই পাড়। নিজের গতি নয়, অন্যের বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় হৃদয়ের মৃত্যু: পরিবার কেরানীগঞ্জে ধর্ম অবমাননার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সমাবেশ কেরানীগঞ্জে ১১ বছরের শিশুর বিয়ে, বর-বাবা ও ঘটকের কারাদণ্ড বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া মহাসড়কে চলবে না স্লিপার বাস: হাইকোর্ট সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে জ্বালানিমন্ত্রীর বাসার গ্যাস রাইজারে আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কেরানীগঞ্জে অবৈধ সার কারখানায় মোবাইল কোর্ট, মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা

অটোর লোভে নির্মম হত্যা: সলঙ্গায় বৃদ্ধ জাহের আলী হত্যায় ঘাতক গ্রেফতার, বিচার নিশ্চিতে তৎপর পুলিশ

কালের বেলা ডেস্ক >> / ৯৩৯ ভিউ:
আপডেট সময়: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন

কালের বেলা ডেস্ক >>

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ৬৫ বছর বয়সী এক দিনমজুরকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিহত জাহের আলী জীবিকার তাগিদে দিনে দিনমজুর এবং রাতে অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাতেন। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও থেমে থাকেননি জীবনের সংগ্রাম।

ঘটনাটি ঘটে গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ দিবাগত রাতে। প্রতিদিনের মতো সেদিনও রাতের খাবার শেষে অটোরিকশা নিয়ে বের হন জাহের আলী। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে রাসেল নামের এক ব্যক্তি যাত্রী সেজে ৯০ টাকা ভাড়ায় শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার কথা বলে তার অটোরিকশায় ওঠে। পথে ভূঁইয়াগাতি নুর পাম্পের কাছে প্রস্রাবের অজুহাতে নেমে একটি ইট সংগ্রহ করে সে।

পরে ফুলজোর নদীর তীরবর্তী নির্জন স্থানে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ওই ইট দিয়ে জাহের আলীর মাথায় আঘাত করে রাসেল। গুরুতর আহত অবস্থায় জাহের আলী প্রাণভিক্ষা চাইলেও কোনো দয়া দেখায়নি ঘাতক। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হলে লাশ নদীর তীরে ফেলে রেখে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায় রাসেল।

পরে ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করে দেওভোগ বাজারে বিক্রি করে দেয় সে। এমনকি বিক্রির পর ঘটনাস্থলে ফিরে গিয়ে নিহতের মরদেহ দেখে কোনো অনুশোচনা ছাড়াই চলে যায় যা তার নির্মমতার চরম উদাহরণ।

ঘটনার পর সলঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে এবং তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত রাসেলকে শনাক্ত করে। তবে সে আত্মগোপনে ঢাকায় পালিয়ে গিয়ে রিকশা চালাতে শুরু করে। পরবর্তীতে পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর রাসেলকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয় এবং তার দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা হয়। ইতোমধ্যে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত শেষে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আসলাম আলী, পিপিএম জানান এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে ইতোমধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। মামলার আসামি বিজ্ঞ আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর