রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
তাড়াশ পৌর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় কারা নির্যাতিত নজরুল প্রধান উল্লাপাড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা থানায় মামলা গ্রেপ্তার-১ রামকৃষ্ণপুরে সুলতান মাহমুদের নির্বাচনী শোডাউন, মোটরসাইকেল র‍্যালিতে জনসমাগম বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ লাইনম্যান নূর আলম, চিকিৎসার মধ্যেই বদলি নিয়ে বিপাকে কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে আওয়ামী লীগের দুই নেতাকর্মী গ্রেপ্তার কেরানীগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে তিনজনের কারাদণ্ড সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ দুধে ভেজাল নয়, চাই নিরাপদ খাদ্য উল্লাপাড়ায় দুগ্ধ ব্যবসায়ীদের নিয়ে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা উল্লাপাড়ায় ভেজালবিরোধী অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা নান্দনিক পরিবেশে সাহিত্যচর্চা, এম এ তাহেরের বাড়িতে রূপগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের ৮১তম সভা

সলঙ্গায় টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক >> / ৪৬৪ ভিউ:
আপডেট সময়: রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক >>

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদে টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কার্ডপ্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যদিও সরকারিভাবে এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণের কথা, বাস্তবে তা হচ্ছে না বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

শনিবার (১৭ মে) দিনব্যাপী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল কাদের মিলনের অনুমতিক্রমে একটি কক্ষে কার্ড বিতরণের সময় এই টাকা আদায় করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, ইউপি সদস্য আনিছুর রহমান, ট্যাক্স আদায়কারী পাবেল এবং কর্মকর্তা মিলনের ব্যক্তিগত সহকারী সাকাওয়াত হোসেন কার্ডপ্রতি নগদ অর্থ নিচ্ছেন। টাকা না দিলে কার্ড দেওয়া হচ্ছে না এবং ভোক্তাদের নানা রকম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
জানা গেছে, ঘুড়কা ইউনিয়নের মোট ৬৩৪ জন কার্ডধারীর মধ্যে অনলাইনে কার্ড একটিভ করে তা বিতরণ করা হচ্ছে। সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে বেশ কয়েকজন ভোক্তা অভিযোগ করেন, প্রথমে অনলাইনে কার্ড চালু করার জন্য ১০০ টাকা নেওয়া হয়, পরে বাড়িতে গিয়ে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় করা হয় এবং এরপরও আবার কার্ড বিতরণের সময় অতিরিক্ত ১০০ থেকে ২০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে।

স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডপ্রাপ্ত ভোক্তা শাহ আলম ও নাসির উদ্দিন বলেন, “অফিসারের নির্দেশে টাকা ছাড়া কেউ কার্ড পাচ্ছে না।” সাকাওয়াত হোসেন সরাসরি বলেন, “টাকা না দিলে কার্ড অ্যাক্টিভ হবে না।
ঘুড়কা ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি এবং কার্ডধারী আবু সাঈদ শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রথমে অনলাইনের জন্য টাকা দিয়েছি, পরে ট্যাক্স, এখন আবার কার্ড নিতে টাকা লাগছে- এটা কেন।
এই বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আব্দুল কাদের মিলন টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, “আমরা স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টাকা নিচ্ছি না, এটা ট্যাক্সের টাকা।”
এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হুমায়ুন কবির বলেন, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অর্থ নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর