রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার আর দেশে ফিরতে পারবে না: আমান উল্লাহ আমান উল্লাপাড়ায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষের্্যালী ও আলোচনা সভা ভূমি দখলবাজদের রুখতে সমন্বিত পদক্ষেপের তাগিদ: গয়েশ্বরের ত্রয়োদশ সংসদে আরও ১০ স্থায়ী কমিটি গঠন, তথ্য ও সম্প্রচারে আমান-কৃষিতে গয়েশ্বর কেরানীগঞ্জে ৪৫৩ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বর্ণাঢ্য আয়োজনে সলঙ্গায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, এমপি ভিপি আয়নুল হককে সংবর্ধনা সিরাজগঞ্জ দায়রা জজ আদালতে এপিপি পদে নিয়োগ পেলেন এ্যাড. গোলাম হাফিজ কিরন সৌদি প্রবাসী অপহরণ: মুক্তিপণ দাবির পর সলঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে জীবিত উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তাল শরীফ সলঙ্গা: মানববন্ধনে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নির্ভীক মুখ: এবিএম ফজলুর রহমানের জন্মদিনে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা

কৃষকদের ভুট্টার ন্যায্য দাম পেতে ব্যবস্থা নিন

কালের বেলা ডেস্ক: / ৭৮১ ভিউ:
আপডেট সময়: রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কৃষকরা কয়েক বছর ধরে ভুট্টা আবাদ করে লাভবান হচ্ছিলেন। এ বছরও অধিকাংশ কৃষক ভুট্টা চাষ করেছিলেন। ভুট্টার আবাদও ভালো হয়েছে। কিন্তু ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা এখন হতাশায় ভুগছেন। গত বছর কৃষকরা শুকনা ভুট্টা বিক্রি করেছিলেন ১৩৫০ টাকা মণ দরে। কিন্তু এ বছরে ভুট্টার দাম ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকা মণ। ভুট্টা চাষের জন্য তারা চড়া সুদে ঋণ নিয়েছেন। সেই ঋণ কীভাবে পরিশোধ করবেন, সেই চিন্তায় দিশেহারা এখানকার ভুট্টা চাষিরা। সরকারিভাবে ভুট্টার দাম নির্ধারণ করা হয় না বলে ব্যবসায়ীরা তাদের খেয়ালখুশি মতো দাম বেঁধে দেন। তখন বাধ্য হয়ে সেই দামেই কৃষককে ভুট্টা বিক্রি করতে হয়। এতে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হয় তাদের। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ভুট্টার ন্যায্য দাম নির্ধারণ করে দেয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। এক বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষের খরচ ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। ফলন পাওয়া যায় ৫০ থেকে ৬০ মণ। ভালো দাম পেলে কৃষক অধিক লাভবান হন। তাই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখন ভুট্টা চাষ বাড়ছে। তবে সঠিক দাম পাচ্ছেন না চাষিরা। এক্ষেত্রে চাঁদপুরের উদাহরণ দেয়া যায়। সেখানে ভুট্টার সরকারি দাম নির্ধারণ করা না থাকায় ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা তাদের খুশিমতো দামে ভুট্টা কিনছে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ও টাকা-পয়সা খরচ করে কৃষক ফসল উৎপাদন করেন ঠিকই কিন্তু সেটা বিক্রির সময় লাভের বদলে লোকসানই গুনতে হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। আর মাঝখান দিয়ে লাভবান হন মধ্যস্বত্বভোগী বা ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা। এ চিত্র শুধু চাঁদপুরেই নয়, সারাদেশেই কৃষকরা সব পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে ন্যায্য দাম পাওয়া থেকে বঞ্চিত। কৃষি বিপণন আইন অনুযায়ী কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কৃষিপণ্যের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করে দেয়। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত তাদের বেঁধে দেয়া দামেই কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে হবে। আইন অমান্য করলে তার শাস্তিরও বিধান রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সংস্থা মাঠপর্যায়ে তেমন তদারকির ব্যবস্থা না করায় ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। কৃষকদের ফসলের ন্যায্য দাম পেতে উৎপাদন খরচ কমাতে হবে। ব্যবসায়ী ও কৃষকদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি মধ্যস্বত্বভোগীদের সিন্ডিকেট ভাঙার জন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপও দরকার। ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের জন্য কৃষকের দরকষাকষির ক্ষমতা বাড়ানো, সংগঠন তৈরি ও শক্তিশালীকরণ, নেতৃত্বের উন্নয়ন ও সমবায়ভিত্তিক মার্কেটিংয়ের ব্যবস্থা চালু করতে হবে। দেশের উপজেলা পর্যন্ত কৃষি পণ্য সংরক্ষণাগার স্থাপন করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর