সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ফিল্মি স্টাইলে গরু ডাকাতি, শেষে সুপার শপে মাংস সরবরাহ চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করল সলঙ্গা থানা পুলিশ। ফিল্মি স্টাইলে গরু ডাকাতি, শেষে সুপার শপে মাংস সরবরাহ চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করল সলঙ্গা থানা পুলিশ। সলঙ্গায় পুলিশের অভিযানে কুখ্যাত ডাকাত গ্রেফতার চুরির মিশুক উদ্ধার, পালিয়েছে সহযোগীরা সলঙ্গা থানার বড় সাফল্য: আন্তঃজেলা ট্রান্সফরমার চোরচক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার অটোর লোভে নির্মম হত্যা: সলঙ্গায় বৃদ্ধ জাহের আলী হত্যায় ঘাতক গ্রেফতার, বিচার নিশ্চিতে তৎপর পুলিশ মায়ের কোল নয়, পরিত্যক্ত ভিটায় শেষ আশ্রয়: উল্লাপাড়ায় নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় নির্দেশনা: নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা সর্বাগ্রে তাড়াশে নবনির্বাচিত এমপিকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা: উন্নয়ন ও মর্যাদা রক্ষায় অঙ্গীকার চাকা ফেটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: সিরাজগঞ্জে বাস উল্টে প্রাণ গেল ৩ জনের, আহত ১০ পূর্ব বিরোধের জেরে ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আয়নাঘরের গোপন অধ্যায় ফাঁস: বন্দিদশার ভয়াবহ বর্ণনায় নড়েচড়ে বসেছে রায়গঞ্জ

কালের বেলা ডেস্ক >> / ৩৯১ ভিউ:
আপডেট সময়: সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন

কালের বেলা ডেস্ক >>

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তিগত বাড়ির রহস্যজনক কাহিনি অবশেষে পর্দার আড়াল থেকে প্রকাশ্যে এল। দুইজন নারী ও পুরুষকে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি করে রাখার ঘটনায় আলোচিত বাড়ির মালিক সুমন সেখ আদালতে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৩ মে) বিকেলে সিরাজগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে সুমন জানান, পল্লী চিকিৎসক নাজমুল হোসেন আরাফাত ওই বাড়ির নিচতলায় দুটি কক্ষ তৈরি করে ভাড়া নেন এবং সেখানেই মানববন্ধি-বিচ্ছিন্ন জীবন কাটাতে বাধ্য হন শিল্পী বেগম (৪৮) ও আব্দুল জুব্বার (৭৫)।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক নাজমুল হক রতন জানান, সোমবার রাতে সদর উপজেলার বহুলী বাজার এলাকা থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে হাজির করার পর প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন বিচারক আলমগীর হোসেন। জবানবন্দি শেষে সন্ধ্যায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সুমন জানায়, আরাফাত নিয়মিত ওই আয়নাঘরে যাতায়াত করতেন এবং আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিও তাদের সহযোগী ছিল। সুমন নিজেই বন্দিদের খাবার সরবরাহ করতেন। বর্তমানে তিনি দুটি পৃথক অপহরণ মামলার আসামি।

উল্লেখ্য, ১ মে গভীর রাতে ভয়াবহ সাহসিকতায় বন্দিদশা থেকে পালিয়ে আসেন শিল্পী বেগম ও আব্দুল জুব্বার। নিজেদের তৈরি একটি সরু সুড়ঙ্গ পথ তাদের মুক্তির একমাত্র রাস্তা হয়ে ওঠে। পরদিন গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিযুক্তদের বাড়িতে বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শিল্পী বেগমকে ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর এবং আব্দুল জুব্বারকে ৮ নভেম্বর অপহরণ করা হয়েছিল। তাদের স্বজনরা—মনসুর আলী ও শফিকুল ইসলাম—আলাদাভাবে থানায় মামলা করেন।
বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর