রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার আর দেশে ফিরতে পারবে না: আমান উল্লাহ আমান উল্লাপাড়ায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষের্্যালী ও আলোচনা সভা ভূমি দখলবাজদের রুখতে সমন্বিত পদক্ষেপের তাগিদ: গয়েশ্বরের ত্রয়োদশ সংসদে আরও ১০ স্থায়ী কমিটি গঠন, তথ্য ও সম্প্রচারে আমান-কৃষিতে গয়েশ্বর কেরানীগঞ্জে ৪৫৩ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বর্ণাঢ্য আয়োজনে সলঙ্গায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, এমপি ভিপি আয়নুল হককে সংবর্ধনা সিরাজগঞ্জ দায়রা জজ আদালতে এপিপি পদে নিয়োগ পেলেন এ্যাড. গোলাম হাফিজ কিরন সৌদি প্রবাসী অপহরণ: মুক্তিপণ দাবির পর সলঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে জীবিত উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তাল শরীফ সলঙ্গা: মানববন্ধনে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নির্ভীক মুখ: এবিএম ফজলুর রহমানের জন্মদিনে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা

সিরাজগঞ্জে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সেনাবাহিনীর প্রশংসনীয় ভূমিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক >> / ৩১৪ ভিউ:
আপডেট সময়: রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক >>

সিরাজগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের ডাকা সড়ক অবরোধ কর্মসূচি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের তাৎক্ষণিক ও দক্ষ হস্তক্ষেপে শান্তিপূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং জনদুর্ভোগের দ্রুত অবসান ঘটে।

বুধবার (১৬ এপ্রিল) সকালে শিক্ষার্থীরা ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ পদোন্নতির রায়ের প্রতিবাদে পরীক্ষা বর্জন, বিক্ষোভ মিছিল এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। এ সময় শহরজুড়ে তীব্র যানজট ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়, যার ফলে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে।

অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য ও সিরাজগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের একটি টিম। নেতৃত্ব দেন সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মারুফ। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তারা সরাসরি সংলাপে বসেন, তাদের দাবিদাওয়া মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশ্বাস দেন।

সেনাবাহিনীর এই দায়িত্বশীল ও সহনশীল ভূমিকা শিক্ষার্থীদের আস্থায় এনে শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারে সহায়তা করে। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং শহরে স্বস্তি ফিরে আসে।

সিরাজগঞ্জ জেলা আর্মির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুনায়েদ বিন কবির বলেন, “সাধারণ জনগণের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করাই ছিল আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে কাজ করেছি এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সম্মানজনক আলোচনা করেছি, যার ফলেই কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।”

সেনাবাহিনীর এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করেছে, শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় তারা শুধু প্রতিরক্ষা বাহিনী নয়—বরং জাতির যেকোনো সংকটে নির্ভরযোগ্য অভিভাবক। সেনাবাহিনীর শান্তিপূর্ণ সংকট ব্যবস্থাপনাও দেশের স্থিতিশীলতা ও সুসংবাদের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর