বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ: তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে সিরাজগঞ্জ-এ খাস পুকুর নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত: প্রাণ গেল দু’জনের উল্লাপাড়ায় ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, প্রাণ গেল এক ব্যক্তির চুক্তিভিত্তিক ৯ সচিবের নিয়োগ বাতিল: প্রজ্ঞাপন জারি ভাষা দিবসে মাদ্রাসা বন্ধ, উত্তোলন হয়নি জাতীয় পতাকা” তদন্তে প্রশাসন, আইনগত ব্যবস্থার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মানবিক উদ্যোগ: চা বিক্রেতা শারমিনের পরিবারের পূর্ণ দায়িত্ব নিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ তাড়াশে নির্বাচনী উত্তেজনার রেশ: বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নারীসহ ৭ জন গুরুতর আহত স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জবাব দিতে ধানের শীষে ভোট দিন: তারেক রহমান চর ভানুডাঙ্গায় মানবতার ছোঁয়া: একদিনেই ১,৮২৯ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নির্বাচনকালীন নিরাপত্তায় জিরো টলারেন্স সশস্ত্র বাহিনীকে প্রধান উপদেষ্টার কড়া নির্দেশনা

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ: তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে

আব্দুস সালাম, চলনবিল >> / ২৮ ভিউ:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ

আব্দুস সালাম, চলনবিল >>

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় জমি দখলচেষ্টা, ফসল নষ্ট এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা একটি পিটিশন মামলার তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, পিটিশন মামলা নং- ২১৮/২০২৫ (তাড়াশ) অনুযায়ী, উপজেলার পান্ডুরা মৌজার জেএল নং- ২৪, আরএস খতিয়ান নং- ১৩৭ এবং আরএস দাগ নং- ১৮৪ এর অন্তর্গত ৮৮ শতক জমির মধ্যে ৪৪ শতক জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। উক্ত জমি বাদী মোঃ ইলিয়াস হোসেন জিন্নাহ ও তাঁর ভাইদের নিজ নামে রেজিস্ট্রি দলিল এবং পরবর্তীতে হেবা ঘোষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাদীপক্ষের রোপণকৃত সরিষা ফসল নষ্ট করে এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় তারা বাদীপক্ষের কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং তা না দিলে জমি দখলচ্যুত করার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করা হয়।

বিষয়টি আদালতের নির্দেশে তাড়াশ থানা পুলিশ তদন্তে নেয়। তদন্তভার প্রাপ্ত উপ-পরিদর্শক মোঃ মেহেদী হাসান সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, বাদী ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী ও তাঁর ভাইয়েরা প্রায় ১০ বছর ধরে উক্ত জমি ভোগদখলে আছেন এ মর্মে প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে পিটিশনে উল্লেখিত অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন ব্যক্তির সম্পৃক্ততার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি।

তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদনে ২০০৩ সালের ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার সংক্রান্ত আইনের প্রযোজ্য ধারায় অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মত দেন এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতের সদয় বিবেচনার আবেদন জানান।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও চাঁদাবাজির মতো ঘটনা গ্রামীণ আইনশৃঙ্খলার জন্য হুমকিস্বরূপ। তারা দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে স্বচ্ছতা, যথাযথ দলিল যাচাই এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে এ ধরনের সংঘাত আরও বাড়তে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা সময়ের দাবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর