বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সৌদি প্রবাসী অপহরণ: মুক্তিপণ দাবির পর সলঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে জীবিত উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তাল শরীফ সলঙ্গা: মানববন্ধনে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নির্ভীক মুখ: এবিএম ফজলুর রহমানের জন্মদিনে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা ফিল্মি স্টাইলে ধাওয়া শেষে সলঙ্গায় ডাকাত আটক, আহত এক পুলিশ সদস্য সলঙ্গায় রাতভর পুলিশের অভিযান, চোরাই মালামাল চক্রের ৪ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৫ সেতুর নিচে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ, রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য ফিল্মি স্টাইলে গরু ডাকাতি, শেষে সুপার শপে মাংস সরবরাহ চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করল সলঙ্গা থানা পুলিশ। ফিল্মি স্টাইলে গরু ডাকাতি, শেষে সুপার শপে মাংস সরবরাহ চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করল সলঙ্গা থানা পুলিশ। সলঙ্গায় পুলিশের অভিযানে কুখ্যাত ডাকাত গ্রেফতার চুরির মিশুক উদ্ধার, পালিয়েছে সহযোগীরা সলঙ্গা থানার বড় সাফল্য: আন্তঃজেলা ট্রান্সফরমার চোরচক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ: তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে

আব্দুস সালাম, চলনবিল >> / ৫৩৪ ভিউ:
আপডেট সময়: বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন

আব্দুস সালাম, চলনবিল >>

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় জমি দখলচেষ্টা, ফসল নষ্ট এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা একটি পিটিশন মামলার তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, পিটিশন মামলা নং- ২১৮/২০২৫ (তাড়াশ) অনুযায়ী, উপজেলার পান্ডুরা মৌজার জেএল নং- ২৪, আরএস খতিয়ান নং- ১৩৭ এবং আরএস দাগ নং- ১৮৪ এর অন্তর্গত ৮৮ শতক জমির মধ্যে ৪৪ শতক জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। উক্ত জমি বাদী মোঃ ইলিয়াস হোসেন জিন্নাহ ও তাঁর ভাইদের নিজ নামে রেজিস্ট্রি দলিল এবং পরবর্তীতে হেবা ঘোষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাদীপক্ষের রোপণকৃত সরিষা ফসল নষ্ট করে এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় তারা বাদীপক্ষের কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং তা না দিলে জমি দখলচ্যুত করার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করা হয়।

বিষয়টি আদালতের নির্দেশে তাড়াশ থানা পুলিশ তদন্তে নেয়। তদন্তভার প্রাপ্ত উপ-পরিদর্শক মোঃ মেহেদী হাসান সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, বাদী ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী ও তাঁর ভাইয়েরা প্রায় ১০ বছর ধরে উক্ত জমি ভোগদখলে আছেন এ মর্মে প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে পিটিশনে উল্লেখিত অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন ব্যক্তির সম্পৃক্ততার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি।

তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদনে ২০০৩ সালের ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার সংক্রান্ত আইনের প্রযোজ্য ধারায় অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মত দেন এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতের সদয় বিবেচনার আবেদন জানান।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও চাঁদাবাজির মতো ঘটনা গ্রামীণ আইনশৃঙ্খলার জন্য হুমকিস্বরূপ। তারা দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে স্বচ্ছতা, যথাযথ দলিল যাচাই এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে এ ধরনের সংঘাত আরও বাড়তে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা সময়ের দাবি।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর