মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সৌদি প্রবাসী অপহরণ: মুক্তিপণ দাবির পর সলঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে জীবিত উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তাল শরীফ সলঙ্গা: মানববন্ধনে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নির্ভীক মুখ: এবিএম ফজলুর রহমানের জন্মদিনে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা ফিল্মি স্টাইলে ধাওয়া শেষে সলঙ্গায় ডাকাত আটক, আহত এক পুলিশ সদস্য সলঙ্গায় রাতভর পুলিশের অভিযান, চোরাই মালামাল চক্রের ৪ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৫ সেতুর নিচে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ, রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য ফিল্মি স্টাইলে গরু ডাকাতি, শেষে সুপার শপে মাংস সরবরাহ চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করল সলঙ্গা থানা পুলিশ। ফিল্মি স্টাইলে গরু ডাকাতি, শেষে সুপার শপে মাংস সরবরাহ চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করল সলঙ্গা থানা পুলিশ। সলঙ্গায় পুলিশের অভিযানে কুখ্যাত ডাকাত গ্রেফতার চুরির মিশুক উদ্ধার, পালিয়েছে সহযোগীরা সলঙ্গা থানার বড় সাফল্য: আন্তঃজেলা ট্রান্সফরমার চোরচক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার

ভাঙ্গুড়ায় মসজিদ কমিটির অর্থ আত্মসাৎ এর প্রতিবাদ করায় হুমকি, থানায় অভিযোগ

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: / ২০৭৯ ভিউ:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মসজিদ কমিটির অর্থ আত্মসাৎ এর প্রতিবাদ করায় কমিটির সভাপতি সম্পাদক দ্বারা হুমকি এবং জোড় পূর্বক গ্রাম থেকে উচ্ছেদ করায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের মহিষবাথান গ্রামে। ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাক ঐ গ্রামের মৃত বাবুর আলী প্রামাণিকের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মহিষবাথান গ্রামের মৃত ফরহাদ হোসেন আকন্দের ছেলে মো: মোশাররফ হোসেন আকন্দ (মসজিদ কমিটির সভাপতি) ও মৃত বাহের উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে মো: ছাইদুর আলী প্রামানিক (মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক) মহিষবাতান গ্রামের বহুদিন পূর্বের একটি পুরাতন মসজিদের সংস্কারের জন্য মসজিদের আওতায় থাকা মহল্লার সকল বাড়ী হইতে দুই হাজার টাকা করে চাঁদা ধরে এবং মসজিদ কমিটির নিকট হতে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা তোলে। এরপর মোশাররফ কাউকে কোন কিছু না বলে মসজিদের ক্যাশ টাকা থেকে ৩০ টাকা ফিটের বালু ৬৫ টাকা দাম ধরায়। তখন গ্রামের লোকজন তার কাছ থেকে বালু ক্রয়ের রশিদ চায় তখন মোশারফ রশিদ না দিতে পারলে মহল্লার লোকজন মোশারফকে জরিমানা করেন। এই বিষয়টা নিয়ে দীর্ঘ দিন বিবাদ চলার কারণে মসজিদ কমিটির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, সভাপতি মোশারফ ও সম্পাদক সাইদুল আলীকে মসজিদের হিসাব নিকাশ বুঝিয়ে দিতে বললে তারা তা না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা করতে থাকে। এছাড়াও প্রায় দেড় মাস পূর্বে গ্রামের মোঃ সেকেন্দার আলীর বাড়ীতে বিবাহের জন্য মাইক ও সাউন্ড বক্স নিয়ে মসজিদের পাশে বাজানোর সময় আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি মসজিদ কমিটির সভাপতিকে বললেও কোন ব্যবস্থা নিতে পারেননি তিনি। তাই দ্রুত মিটিং দিয়ে আয় ব্যয়ের হিসাব চান আব্দুর রাজ্জাক। এবং নতুন কমিটি দেয়ার প্রস্তাব করেন। এ কারণে সভাপতি ক্ষিপ্ত হয়ে গ্রামের কিছু লোকজনের জোগ সাজসে আব্দুর রাজ্জাক কে হুমকি প্রদান করেন এবং তাকে জোড় পূর্বক গ্রাম থেকে উচ্ছেদ করে দেন।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চারদিক থেকে বিভিন্ন রকম প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আমি বর্তমানে বাড়িছাড়া হয়ে আছি এবং জীবনের চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক বলেন, মসজিদে আয়ের থেকে ব্যয় বেশি হয়েছে যেটা মিটিংয়ে সবাইকে দেখানো হয়েছে। রাজ্জাক মিটিংয়ে না থেকেই মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় তাকে কমিটি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। আমাদেরকে সমাজের সামনে হেও প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এসব মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর