সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সৌদি প্রবাসী অপহরণ: মুক্তিপণ দাবির পর সলঙ্গা থানা পুলিশের অভিযানে জীবিত উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তাল শরীফ সলঙ্গা: মানববন্ধনে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নির্ভীক মুখ: এবিএম ফজলুর রহমানের জন্মদিনে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা ফিল্মি স্টাইলে ধাওয়া শেষে সলঙ্গায় ডাকাত আটক, আহত এক পুলিশ সদস্য সলঙ্গায় রাতভর পুলিশের অভিযান, চোরাই মালামাল চক্রের ৪ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৫ সেতুর নিচে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ, রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য ফিল্মি স্টাইলে গরু ডাকাতি, শেষে সুপার শপে মাংস সরবরাহ চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করল সলঙ্গা থানা পুলিশ। ফিল্মি স্টাইলে গরু ডাকাতি, শেষে সুপার শপে মাংস সরবরাহ চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করল সলঙ্গা থানা পুলিশ। সলঙ্গায় পুলিশের অভিযানে কুখ্যাত ডাকাত গ্রেফতার চুরির মিশুক উদ্ধার, পালিয়েছে সহযোগীরা সলঙ্গা থানার বড় সাফল্য: আন্তঃজেলা ট্রান্সফরমার চোরচক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার

সিরাজগঞ্জে অনৈতিক অবস্থায় ধরা ডিবি পুলিশ, উদ্ধার করে থানায় নিলো পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক >> / ৪৮৬ ভিউ:
আপডেট সময়: সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক >>

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মিলগেট এলাকায় এক নারীসহ অনৈতিক অবস্থায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এক কনস্টেবলকে হাতেনাতে আটক করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (২ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে রায়পুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত পুলিশ সদস্যের নাম সেলিম আহমেদ। তিনি টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা এবং সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখায় কনস্টেবল পদে কর্মরত। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেলিম আহমেদের সঙ্গে লাকি খাতুন নামে এক নারীর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। লাকি খাতুন অভিযোগের তীরবিদ্ধ নারী, যিনি এলাকায় মাদক ও নানা অবৈধ ব্যবসায় জড়িত বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ থাকলেও ডিবি কনস্টেবলের প্রভাব খাটিয়ে তিনি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।

ঘটনার দিন অনৈতিক অবস্থায় ধরা পড়ার পর স্থানীয়রা দুজনকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন। পরে সদর থানা পুলিশের একটি টিম গিয়ে সেলিম আহমেদকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। কিছু সময় পর লাকি খাতুনকেও থানায় আনা হয়। এ সময় তিনি স্থানীয়দের অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও হুমকি দেন।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, “ঘটনার পর কনস্টেবল সেলিম আহমেদ ও লাকি খাতুনকে থানায় আনা হয়েছে।

তবে জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হোসাইনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর